জুমাতুল বিদা কি? ইসলামের দৃষ্টিতে এটি পালনের কি কোন ভিত্তি আছে?
▬▬▬▬◆◈◆ ▬▬▬▬
জুমাতুল বিদা বলতে বুঝায়, রমাযানের শেষ জুমা সালাতের মাধ্যমে রমাযানকে বিদায় জানানো।
আমাদের দেশে দেখা যায়, রমাযানের শেষ শুক্রবারকে খুব গুরুত্বের সাথে ‘জুমাতুল বিদা’ হিসেবে পালন করা হয়। এ উপলক্ষে জুমার নামাযে পরিলক্ষিত হয় প্রচুর ভিড়। এ দিনে কেউ কেউ মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে, কেউ কেউ এ দিন উপলক্ষে বিশেষ কিছু নামায পড়ে, মসজিদে মসজিদে আয়োজন করা হয় বিশেষ দুআ-মুনাজত, ইফতার পার্টি..ইত্যাদি। পরে পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ আসে “যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে সারা দেশে ‘জুমাতুল বিদা’ পালিত হয়েছে”!!
অথচ রমাযানের শেষ জুমার আলাদা কোনো ফযিলত আছে বা এ দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করতে হবে হবে কুরআন-সুন্নায় এ ব্যাপারে কোন ধারণা পাওয়া যায় না।
আমাদের কর্তব্য প্রত্যেক জুমার দিনকে গুরুত্ব দেয়া। সকল জুমার দিন ফযীলতপূর্ণ। রমাযানের প্রতিটি দিন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রমাযানের শেষ জুমার বিশেষ কোন ফযিলত আছে বলে কুরআন-সুন্নায় কোন প্রমাণ নাই।
সুতরাং এ দিনটিকে বিশেষ ফযীলতপূর্ণ মনে করে ‘জুমাতুল বিদা’ পালন করা বিদআত।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল প্রকার বিদআত থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
▬▬▬▬◆◈◆ ▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ। আভাস মাল্টিমিডিয়া.কম এ ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণরূপে বিশুদ্ধ ঈমান ও আমলের দাওয়াতী ওয়েবসাইট। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত এবং কোন প্রকার দল / সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত নয়। আমাদের আক্বীদাহ আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদাহ। আমাদের মানহাজ সালাফে সালেহীনদের মানহাজ। আমাদের দাওয়াত শিরকমুক্ত, কুফরমুক্ত, নিফাক্বমুক্ত ও বিদ‘আতমুক্ত ঈমান ও আমলের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাওহীদ ও সুন্নাত ভিত্তিক ঈমান ও আমল গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।


Leave a Reply