1. admin@jplivetv5.jphostbd.net : jplivetv5 : Kaji Asad Bin Romjan
  2. lucienne@loanme.loan : alexandriakanode :
  3. weapon@eflteachertraining.com : emiliowilks62 :
  4. suzannekasey@quelbroker.com : jeffersonthorp0 :
  5. blame@mailmanila.com : rafaelrodger252 :
  6. meredithdevries8080@wwjmp.com : rlfmyles35 :
  7. cally@linkbuildingtools.club : susannegreenham :
  8. shanegooden@yahoo.com : tomokotolbert3 :
  9. karmajame@quelbroker.com : uybsven242711 :
  10. eudorawuckert1673@mailcase.email : valeriecaballero :
  11. serve@tony-ng.com : yvjlatoya5263 :
  12. so.digweedmillerpiper@yahoo.com : zacherytrower :
কাজা নামাজে আজান ও ইকামতের বিধান - jplivetv5.jphostbd.net
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হিন্দুদের পূজায় অংশ গ্রহণ, পূজার কোনও উপকরণ বিক্রয় করা বা ভাড়া দেওয়া অথবা পূজা পালনে সাহায্য-সহযোগিতা করার বিধান মুসলিমদের জন্য বিধর্মীদের ধর্মীয় উৎসব ও পূজা-পার্বণে অংশগ্রহণ হারাম হওয়ার দশ কারণ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আয়েশা রা.-এর মাঝে ভালবাসার বন্ধন “উটের রশির গিঁটের মতো মজবুত” সংক্রান্ত হাদিসটি বানোয়াট কাফিরদের উৎসবে তাদের ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দেওয়ার বিধান ইসলামী সংস্কৃতি ও আধুনিক সংস্কৃতি অসুস্থতা এবং প্রচণ্ড শারীরিক ক্লান্তির কারণে ঘুমিয়ে যাওয়ার ফলে ইশার সালাত পড়া না হলে তা কি পরের দিন কি কাজা করা যাবে? জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য করণীয়, আমল ও দুআ প্রত্যেক জুমার দিন ১ কোটি ৪৪ লক্ষ জাহান্নামিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া সংক্রান্ত হাদিসটি কি সহিহ?? জুমার নামায পড়তে না পারলে করণীয় কি?? ইসলামের দৃষ্টিতে সৃষ্টির সেবা এবং পরোপকারের মর্যাদা কী?

কাজা নামাজে আজান ও ইকামতের বিধান

কাজী আসাদ বিন রমজান
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৩ বার
কাজা নামাজে আজান ও ইকামতের বিধান
প্রশ্ন: “কাজা নামাজে একামতের প্রয়োজন নেই” একথা কি হাদিস সম্মত? দলিল সহ জানতে চাই।
উত্তর: “কাজা নামাজের একামত এর প্রয়োজন নেই” এ কথা হাদিস সম্মত নয়। বরং একাধিক বিশুদ্ধ হাদিস থেকে প্রমাণিত যে, কাজা নামাজেও একামত দেওয়া সুন্নত।
কোন সালাত যথাসময়ে পড়তে না পারলে অনতিবিলম্বে তা কাজা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সুন্নত হল, একামত দেওয়ার পর ফরজ সালাতগুলো যথা নিয়মে আদায় করা। (পাশাপাশি যেসকল সালাতের আগে ও পরে সুন্নত সালাত রয়েছে সেগুলোও আদায় করা।)
এই মর্মে দুটি হাদিস এবং একটি ফতোয়া পেশ করা হল: وبالله التوفيق
🟢 হাদিসে এসেছে:
قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ إِنَّ الْمُشْرِكِينَ شَغَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَرْبَعِ صَلَوَاتٍ يَوْمَ الْخَنْدَقِ حَتَّى ذَهَبَ مِنَ اللَّيْلِ مَا شَاءَ اللَّهُ فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَذَّنَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعِشَاءَ ‏”.
আবূ উবাইদা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ রা. বলেছেন, খন্দক যুদ্ধে মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে চার ওয়াক্ত সালাত হতে ব্যতিব্যস্ত করে দেয়।
পরিশেষে আল্লাহর ইচ্ছায় যখন রাতের কিয়দংশ অতিবাহিত হয়ে গেল তখন তিনি বিলাল রা. কে আজান দেওয়ার নির্দেশ দিলে তিনি আজান দিলেন অতঃপর ইকামত বললেন৷
প্রথমে জোহরের সালাত আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামত দিলে তিনি আসরের নামাজ আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামত দিলে তিনি মাগরিবের নামাজ আদায় করালেন। অতঃপর বিলাল ইকামত দিলে তিনি ইশার সালাত আদায় করালেন।
[আল ইরওয়া-(১/২৫৭), অধ্যায়: সালাত, অনুচ্ছেদ: যার একাধারে কয়েক ওয়াক্তের নামাজ ছুটে গেছে সে কোন ওয়াক্ত থেকে শুরু করবে? হাদিস নং ১৭৯- হাসান]
🟢 অন্য একটি হাদিস:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَفَلَ مِنْ غَزْوَةِ خَيْبَرَ فَسَارَ لَيْلَةً حَتَّى إِذَا أَدْرَكَنَا الْكَرَى عَرَّسَ وَقَالَ لِبِلاَلٍ ‏”‏ اكْلأْ لَنَا اللَّيْلَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ فَغَلَبَتْ بِلاَلاً عَيْنَاهُ وَهُوَ مُسْتَنِدٌ إِلَى رَاحِلَتِهِ فَلَمْ يَسْتَيْقِظِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ بِلاَلٌ وَلاَ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِهِ حَتَّى إِذَا ضَرَبَتْهُمُ الشَّمْسُ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوَّلَهُمُ اسْتِيقَاظًا فَفَزِعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏”‏ يَا بِلاَلُ ‏”‏ ‏.‏ فَقَالَ أَخَذَ بِنَفْسِي الَّذِي أَخَذَ بِنَفْسِكَ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ فَاقْتَادُوا رَوَاحِلَهُمْ شَيْئًا ثُمَّ تَوَضَّأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَقَامَ لَهُمُ الصَّلاَةَ وَصَلَّى بِهِمُ الصُّبْحَ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ ‏”‏ مَنْ نَسِيَ صَلاَةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ ‏{‏ أَقِمِ الصَّلاَةَ لِذِّكْرَى ‏}‏ ‏” ‏
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম খায়বার যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তনের একরাতে বিরতিহীনভাবে সফর করতে থাকলে আমাদের ক্লান্তি ভাব দেখা দেয়। ফলে শেষ রাতে তিনি যাত্রা বিরতি করেন এবং বিলাল রা. কে বলেন, “তুমি জেগে থাকবে এবং রাতের দিকে লক্ষ্য রাখবে।”
কিন্তু বিলাল রা.ও নিদ্রাকাতর হয়ে তার উটের সাথে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিলাল এবং তাঁর সহাবিদের কারোরই ঘুম ভাঙ্গল না। অতঃপর সূর্যের উত্তাপ তাদের গায়ে এসে পড়লে সর্বপ্রথম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুম থেকে জাগলেন। অতঃপর অস্থির হয়ে বললেন, “কী হলো বিলাল!”
তিনি বললেন, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! যে সত্তা আপনাকে অচেতন রেখেছেন, আমাকেও তিনিই অচেতন রেখেছেন।”
অতঃপর তারা নিজেদের বাহন নিয়ে কিছু দূর অগ্রসর হওয়ার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওজু করলেন এবং বিলাল রা. কে নির্দেশ দিলে তিনি ইকমত দিলেন।
অতঃপর তিনি সকলকে নিয়ে ফজরের সলাত আদায় শেষে বললেন, “কেউ সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই উক্ত সালাত আদায় করে নেয়। কেননা আল্লাহ্‌ বলেন, “আমার স্মরণার্থে সলাত প্রতিষ্ঠা কর।” (সূরা ত্বা-হা: ১৪)
[মুসলিম, আবু দাউদ, সালাত অধ্যায়: অনুচ্ছেদ-১১
কেউ সলাতের ওয়াক্তে ঘুমিয়ে থাকলে বা সলাতের কথা ভুলে গেলে, হাদিস নং ৪৩৫-সহিহ]
সুনানে বায়হাকী বর্ণনায় এসেছে, উক্ত ঘটনায়
فَصَلَّى رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ صَلَّى صَلَاةَ الْغَدَاةِ”
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে দু রাকাত ফজরের সুন্নত আদায় করেছেন, তারপর ফরজ আদায় করেছেন।”
🔶 শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন,
وَلَيْسَ الْأَذَانُ بِوَاجِبٍ لِلصَّلَاةِ الْفَائِتَةِ، وَإِذَا صَلَّى وَحْدَهُ أَدَاءً أَوْ قَضَاءً وَأَذَّنَ وَأَقَامَ فَقَدْ أَحْسَنَ، وَإِنْ اكْتَفَى بِالْإِقَامَةِ أَجْزَأَهُ، وَإِنْ كَانَ يَقْضِي صَلَوَاتٍ فَأَذَّنَ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَأَقَامَ لِبَقِيَّةِ الصَّلَوَاتِ كَانَ حَسَنًا أَيْضًا.
“ছুটে যাওয়া কাজা সালাতের ক্ষেত্রে আজান ওয়াজিব নয়। যদি কেউ একাকী যথাসময়ে অথবা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর কাযা হিসেবে সালাত আদায় করে তাহলে (প্রথমে) আজান দিবে, অতঃপর একামত দিবে। এটা ভালো। আর যদি কেবল আজান দেয় (একামত না দেয়) তবেও যথেষ্ট হবে। আর যদি একাধিক ওয়াক্তের কাজা সালাত পড়ে তাহলে প্রথমবার আজান দেবে, অতঃপর বাকি সালাতের ক্ষেত্রে একামত দিবে। এটাও উত্তম।” [আল ফাতাওয়া আল-কুবরা]
والله أعلم
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সালাতের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার এবং প্রত্যেক ওয়াক্তের সালাত যথাসময়ে আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল।
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব।
প্রশ্ন করুন
যে কোনো বিষয়ে ইসলামী সমাধান পেতে প্রশ্ন করুন “ আভাস ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টারে। avasmultimedia@gmail.com এড্রেসে সরাসরি মেইল করুন। অথবা নিচের অপশনগুলো পূর্ণ করে প্রশ্ন প্রেরণ করুন। আপনার প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত সম্ভব প্রদান করার চেষ্টা করা হবে। – ইনশা’আল্লাহ… বিঃদ্রঃ মেইল এড্রেস অবশ্যই প্রদান করুন। উত্তরটি প্রকাশিত হলে যেন মেইল করে অবহিত করা যায়। একটি মেইলে কেবল একটি প্রশ্নই পাঠাবেন। এক মেইলে একাধিক প্রশ্ন করবেন না। “নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক” হলে তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
এখানে আপনার নাম লিখুন
এখানে আপনার ইমেল লিখুন
এখানে আপনার ফোন নাম্বার লিখুন
এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন
এখানে আপনি কি বিষয়ে জানতে চান লিখুন
এখানে আপনি যা জানতে চান লিখুন
Click or drag a file to this area to upload.

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8e8f5ec91b89d09705d5