1. admin@jplivetv5.jphostbd.net : jplivetv5 : Kaji Asad Bin Romjan
  2. lucienne@loanme.loan : alexandriakanode :
  3. weapon@eflteachertraining.com : emiliowilks62 :
  4. suzannekasey@quelbroker.com : jeffersonthorp0 :
  5. blame@mailmanila.com : rafaelrodger252 :
  6. meredithdevries8080@wwjmp.com : rlfmyles35 :
  7. cally@linkbuildingtools.club : susannegreenham :
  8. shanegooden@yahoo.com : tomokotolbert3 :
  9. karmajame@quelbroker.com : uybsven242711 :
  10. eudorawuckert1673@mailcase.email : valeriecaballero :
  11. serve@tony-ng.com : yvjlatoya5263 :
  12. so.digweedmillerpiper@yahoo.com : zacherytrower :
আমি কি হিংসুক? - jplivetv5.jphostbd.net
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হিন্দুদের পূজায় অংশ গ্রহণ, পূজার কোনও উপকরণ বিক্রয় করা বা ভাড়া দেওয়া অথবা পূজা পালনে সাহায্য-সহযোগিতা করার বিধান মুসলিমদের জন্য বিধর্মীদের ধর্মীয় উৎসব ও পূজা-পার্বণে অংশগ্রহণ হারাম হওয়ার দশ কারণ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আয়েশা রা.-এর মাঝে ভালবাসার বন্ধন “উটের রশির গিঁটের মতো মজবুত” সংক্রান্ত হাদিসটি বানোয়াট কাফিরদের উৎসবে তাদের ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দেওয়ার বিধান ইসলামী সংস্কৃতি ও আধুনিক সংস্কৃতি অসুস্থতা এবং প্রচণ্ড শারীরিক ক্লান্তির কারণে ঘুমিয়ে যাওয়ার ফলে ইশার সালাত পড়া না হলে তা কি পরের দিন কি কাজা করা যাবে? জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য করণীয়, আমল ও দুআ প্রত্যেক জুমার দিন ১ কোটি ৪৪ লক্ষ জাহান্নামিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া সংক্রান্ত হাদিসটি কি সহিহ?? জুমার নামায পড়তে না পারলে করণীয় কি?? ইসলামের দৃষ্টিতে সৃষ্টির সেবা এবং পরোপকারের মর্যাদা কী?

আমি কি হিংসুক?

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯২ বার
আমি কি হিংসুক?
▬▬▬▬❖◯❖▬▬▬▬
প্রশ্ন: আমরা দু জন লোক একসাথে মেছে খাই। আমি সবসময় রান্না করি। সে রুমে আসে না, রান্না ও করে না। তাই আজ রাগ করে রান্না করি নি। রুমও ছেড়ে দিব। আমার প্রশ্ন হলো, এতে কি আমি হিংসাকারী হিসাবে গণ্য হবো?
উত্তর:
প্রথমত: জানা দরকার, হিংসা কাকে বলে এবং হিংসার পরিণতি কি?
হিংসা (حسد) বলা হয়, কারো কল্যাণ দেখে অন্তরে জ্বলন অনুভব করা এবং তার ক্ষতি করার চেষ্টা করা বা তার অকল্যাণ কামনা করা।
ইসলামের দৃষ্টিতে এটি কবিরা গুনাহ ও অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়।
✪ আল্লাহ তাআলা বলেন:
ﺃَﻡْ ﻳَﺤْﺴُﺪُﻭﻥَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱَ ﻋَﻠَﻰٰ ﻣَﺎ ﺁﺗَﺎﻫُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻪِ
“নাকি আল্লাহ দয়া করে মানুষদেরকে যা দান করেছেন সে বিষয়ে এরা কি তাদেরকে হিংসা করে।” (সূরা নিসা: ৫৪)
✪ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
لَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَنَاجَشُوا، وَلَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إخْوَانًا، الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، لَا يَظْلِمُهُ، وَلَا يَخْذُلُهُ، وَلَا يَكْذِبُهُ، وَلَا يَحْقِرُهُ، التَّقْوَى هَاهُنَا، وَيُشِيرُ إلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، بِحَسْبِ امْرِئٍ مِنْ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ، كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ: دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ” .
رَوَاهُ مُسْلِمٌ [رقم:2564].
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“তোমরা পরস্পর হিংসা করো না।
– একে অপরের জন্য নিলাম ডেকে দাম বাড়াবে না।
– পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না।
– একে অপর থেকে আলাদা হয়ে যেও না বা সম্পর্ক চ্ছেদ করো না।
– একজনের ক্রয়ের উপর অন্যজন ক্রয় করো না।
– হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও।
– মুসলিম মুসলিমের ভাই,
– সে তার উপর জুলুম করে না
– তাকে সহায়-সঙ্গী হীনভাবে ছেড়ে দেয় না।
– সে তার কাছে মিথ্যা বলে না
– ও তাকে অপমান করে না।
– তাকওয়া হচ্ছে- এখানে- তিনি নিজের বুকের দিকে তিনবার ইশারা করেন।
– কোন মানুষের জন্য এতটুকু মন্দ যথেষ্ট যে, সে আপন মুসলিম ভাইকে নীচ ও হীন মনে করে।
– এক মুসলিমের রক্ত, সম্পদ ও মান-সম্মান অন্য মুসলিমের জন্য হারাম।” [মুসলিম: ২৫৬৪]
এ পর্যায়ে বলবো, আপনার বিষয়টি হিংসার মধ্যে পড়ে না। কারণ আপনারা যদি একসাথেই খাওয়া-দাওয়া করেন এবং দুজনেই রুমের ভাড়া ও খাওয়া বাবদ সমান খরচ দিয়ে থাকেন তাহলে সে ক্ষেত্রে রান্নাবান্না সহ রুম সংক্রান্ত অন্যান্য দায়িত্ব উভয়ের সমান হওয়া যৌক্তিক। কিন্তু আপনার রুমমেট যদি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে বরং আপনাকেেই তার দায়িত্ব পালন করতে হয় তাহলে আপনার মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। এটা দোষের কিছু নয়।
তবে এ ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি হল, প্রথমত তার সাথে বিষয়টি নিয়ে সুন্দরভাবে কথা বলবেন এবং সমাধানে আসার চেষ্টা করবেন। হঠাৎ রান্নাবান্না বন্ধ করে রাগারাগি করা ও ঝগড়াঝাঁটিতে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। এটা ইসলামিক ও সামাজিক উভয় দৃষ্টিকোন থেকেই অপছন্দনীয়।
আর ওই ব্যক্তির সাথে থাকাটা যদি আপনার জন্য অসহনীয় হয় বা এতে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে মনে হয় তাহলে আপনি তার সাথে কথা বলে যথানিয়মে রুম পরিত্যাগ করতে পারেন। এতেও কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহু আলাম
—————-
উত্তর প্রদান:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল দাওয়া সেন্টার, সৌদি আরব

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-8e8f5ec91b89d09705d5